সেল ও ব্যাটারি সাথে কম-বেশি আমরা সবাই পরিচিত। আজ আমরা সেল ও ব্যাটারি সম্বন্ধে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-উত্তর জানবো। যে প্রশ্নগুলো আলোচনা করা হবেঃ
- সেল ও ব্যাটারি কি?
- প্রাইমারী ও সেকেন্ডারী সেল কি?
- সেল ও ব্যাটারি মাঝে প্রার্থক্য কি?
- আদর্শ সেল কি?
- ড্রাই সেল ও ওয়েট সেলের সাধারণ কিছু প্রার্থক্য।
- ডিপোলারাইজার কি? ডিপোলারাইজেশন কেন ব্যবহার করা হয় ও দূর করার উপায় কি?
সেল ও ব্যাটারি কি?
সেলঃ ইলেকট্রিক সেল এমন একটি ডিভাইস যা ইলেকট্রিসিটি জেনারেট করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এটা এমন একটি একক ইউনিট যা রাসায়নিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করে ডিসি ভোল্টেজ উৎপাদন করতে পারে।
প্রতিটি সেলে দুটি টার্মিনাল থাকে, একটি পজেটিভ এবং অপরটি নেগেটিভ টার্মিনাল। পজেটিভ টার্মিনালে লম্বা রেখা এবং নেগেটিভ টার্মিনালে ছোট রেখা দ্বারা বুঝানো হয়। নিচে চিত্র দেওয়া হলোঃ

ব্যাটারিঃ বৈদ্যুতিক সার্কিটে কারেন্টের পরিমাণ কমানো/বাড়ানোর জন্য বা ভোল্টেজ পরিবর্তনের জন্য কতগুলো বৈদ্যুতিক সেলকে একত্রে সংযোগ করা হয়। এই একত্রিত সেল্গুলোকে ব্যাটারি বলে।

প্রাইমারী ও সেকেন্ডারী সেল কি?
প্রাইমারী সেলঃ যে সেল সাধারণত রাসায়নিক বিক্রিয়ার সাহায্যে বৈদ্যুতিক কারেন্ট উৎপন্ন করে এবং একবার ডিসচার্জ হয়ে গেলে পুনরায় চার্জ করা যায় না তাকে প্রাইমারী সেল বলে। প্রাইমারী সেল আবার দুই প্রকার যথাঃ ১) এক তরল বিশিষ্ট সেল। ২) দুই তরল বিশিষ্ট সেল।
এক তরল বিশিষ্ট সেলঃ যে বৈদ্যুতিক সেলে একটি মাত্র ক্রিয়াশীল তরল পদার্থ বা ইলেকট্রোড থাকে তকে এক তরল বিশিষ্ট সেল বলে। যেমনঃ ড্রাই সেল (যা টিভি রিমুট ও বিভিন্ন স্থানে ব্যবহার করা হয়), বাইক্রোমেট সেল, লেকল্যান্স সেল।
সেকেন্ডারী সেলঃ যে সেল রাসায়নিক বিক্রিয়ার সাহায্যে বৈদ্যুতিক কারেন্ট উৎপন্ন করে এবং ডিসচার্জ হয়ে গেলে পুনরায় চার্জ করা যায় তাকে সেকেন্ডারী সেল বা স্টোরেজ সেল ও বলা হয়। যেমনঃ লীড-লীড এসিড সেল, নিকেল ক্যাডমিয়াম এলকালি সেল ইত্যাদি।
সেল ও ব্যাটারি মাঝে প্রার্থক্য কি?
সেল
- সেল একটি স্বতন্ত্র ইউনিট।
- এর অভ্যন্তরীণ রেজিস্ট্যান্সের মান বাহ্যিক বৈদ্যুতিক সংযোগের সাহায্যে পরিবর্তন সম্ভব নয়।
- সেল থেকে নির্দিষ্ট পরিমানের চেয়ে বেশি ভোল্টেজ পাওয়া সম্ভব নয়।
ব্যাটারি
- এটি একাদিক সেলের সমন্বয়ে গঠিত।
- এর কার্যকরী রেজিস্ট্যান্সের মান বাহ্যিক বৈদ্যুতিক সংযোগের সাহায্যে কম-বেশি করা যায়।
- চাহিদামত ভোল্টেজের মান কমানো-বাড়ানো যায়।
আদর্শ সেল কি?
আদর্শ সেলঃ যে সেলের ই,এম,এফ সবসময় একই থাকে এবং যার সাহায্যে অন্য সেলের ই,এম,এফ তুলনা করা হয় তাকে আদর্শ সেল বলে।
একটি উদাহরণ দিলে আশা করছি ভালভাবে বুঝতে পারবো, আমরা জানি সাধারণ সেল হতে একই হারে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়া যায় না। কারন দীর্ঘ সময় ব্যবহার করার ফলে এদের ই, এম, এফ ক্রমশ কমতে থাকে।
কিন্তু পরীক্ষাগারে বিদ্যুৎ সংক্রান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা জন্য ই,এম,এফ না কমে এমন ধরনের সেল ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়। এই ধরনের সেলকে মূলত আদর্শ সেল বলা হয়। আদর্শ সেল মূলত বিদ্যুৎ সরবরাহ জন্য ব্যবহার করা হয় না বরং অন্য সাধারণ সেলের ই,এম,এফ এর তুলনার কাজে ব্যবহিত হয়।
ড্রাই সেল ও ওয়েট সেলের সাধারণ কিছু প্রার্থক্য

ড্রাই সেল
- এতে তরল ইলেকট্রোডের পরিবর্তে পেষ্ট ব্যবহার করা হয়।
- এর পাত্রটি একটি ইলেকট্রোড নেগেটিভ হিসাবে কাজ করে।
- প্রয়োজনে ইলেকট্রোড ও পানি যোগ করে ব্যবহার করা যায় না।
- ইহা আকারে ছোট ও হালকা এবং যেকোন অবস্থানে রাখা যায়।
- ব্যবহার না করলে এটা আপনা আপনি নষ্ট হয়ে যায়।
ওয়েট সেল
- এতে তরল ইলেকট্রোড ব্যবহার করা হয়।
- এর পাত্রের ভিতরে ইলেকট্রোড দুটি রক্ষিত থাকে।
- এটিতে প্রয়োজনে ইলেকট্রোলাইট ও পানি যোগ করে দীর্ঘ দিন ব্যবহার করা যায়।
- এটা আকারে বড় ও বেশ ভারী এবং যেকোন অবস্থানে রাখা যায় না।
- এটা ব্যবহার না করলে নষ্ট হয় না।
ডিপোলারাইজার কি? ডিপোলারাইজেশন কেন ব্যবহার করা হয় ও দূর করার উপায় কি?
ডিপোলারাইজারঃ সাধারণ কোষ ব্যতীত অন্যান্য প্রাইমারী কোষে ঋণাত্মক ইলেকট্রোড হতে ধনাত্মক ইলেকট্রোডের দিকে প্রবাহমান হাইড্রোজনকে নিস্ক্রিয় করার জন্য যে দন্ড ব্যবহার করা হয় তাকে ডিপোলারাইজেশন বলে।
ডিপোলারাইজার হিসেবে ম্যাংগানিজ ডাই-অক্সাইড ব্যবহিত হয়। এছাড়া ও ক্রমিক এসিড, নাইট্রিক এসিড ইত্যাদি ও ব্যবহার করা হয়।
সাধারণত তিন উপায়ে ডিপোলারাইজেশন দূর করা যায়ঃ
- যান্ত্রিক পদ্ধতি
- বিদ্যুৎ রাসায়নিক পদ্ধতি
- রাসায়নিক পদ্ধতি
Download PDF: সেল_ব্যাটারি.pdf
Many many thanks.Please brother write about Timer & it’s work.
We will write very soon brother. We will try our best. Stay with us.
Thank you very much vaia.
🙂 Welcome bhaia..
Comment: i need this pdf bro. plz
আপনার অনুরোধে পিডিএফ করে দেয়া হয়েছে ভাই।
Thank you
Huge love for you brother…