চোর পুলিশের দৌড়াদৌড়ি এবং পাওয়ার ফ্যাক্টর এর গল্প

মনে করি, ভোল্টেজ চোর আর কারেন্ট হল পুলিশ। আর ইন্ডাক্টিভ এবং ক্যাপাসিটিভ লোডে এই চোর পুলিশের দৌড়াদৌড়ি চলতেই থাকে। শুধুমাত্র রেজিস্টিভ লোডে কারেন্ট (পুলিশ) ভোল্টেজ (চোরকে) ধরতে পারে।

ইন্ডাক্টিভ লোডে পুলিশ (কারেন্ট) চোরের (ভোল্টেজের) অনেক পিছনে থাকে। যেটাকে ইঞ্জিনিয়ারিং এর কঠিন ভাষায় ল্যাগিং বলে 🙂

আর ক্যাপাসিটিভ লোডে বা ক্যাপাসিটর এ কারেন্ট (পুলিশ) ভোল্টেজ (চোরের) খুব কাছাকাছি থাকে যারে বলা হয় লিডিং পজিশন।

পুলিশ চোরের যত কাছাকাছি থাকবে তাদের দূরত্ব তত কমে যাবে যেটাকে বলে ফেইজ ডিফারেন্স। কি কঠিন ভাষারে ভাই!!!

এখন পুলিশ যত কাছে যাবে চোরকে ধরার সম্ভাবনা তত বেশি হবে এবং অন্যায় প্রতিরোধ হবে।

একইভাবে ভোল্টেজ ও কারেন্টের মধ্যবর্তী কোণ এর মান যত কম হবে পাওয়ার ফ্যাক্টর এর মান তত এক এর কাছাকাছি যাবে এবং সিস্টেম এ রিয়েক্টিভ এনার্জি (অন্যায়) তত কম হবে।

কারণ পাওয়ার ফ্যাক্টর হচ্ছে ভোল্টেজ ও কারেন্টের মধ্যবর্তী কোণের কোসাইন মান। আর এংগেল যত কম হবে কোসাইন মান তত বৃদ্ধি পাবে।

ইন্ড্রাস্ট্রিতে ইন্ডাক্টিভ লোড বেশি হবার দরুণ কারেন্ট(পুলিশ) ভোল্টেজের (চোরের) অনেক পিছনে পড়ে যায়। ফলে কোসাইন মান বেড়ে গিয়ে পাওয়ার ফ্যাক্টর অনেক কমে যায়। এজন্যেই ক্যাপাসিটর এর মেলা বা পিএফআই প্যানেল বসানো হয় যাতে পুলিশ চোরের খুব কাছাকাছি যেতে পারে।

Courtesy: Iqbal Mahmood

বিঃদ্রঃ বুঝার সুবিধার্থে লেখক Informal ভাষা ব্যবহার করতে পারেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here