ইলেকট্রিক্যাল সাবস্টেশন সম্বন্ধে সহজ ভাষায় আলোচনা | Sub-station in bangla

1
সাবস্টেশন

ইলেকট্রিক্যাল সাবস্টেশন হলো ইলেকট্রিক্যাল জেনারেশন, ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমের একটি অংশ। সাবস্টেশন এর সাহায্যে ভোল্টেজ কে হাই থেকে লো কিংবা লো থেকে হাই ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা যায়।

বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এবং গ্রাহকের মধ্যে সাবস্টেশন নির্মিত হয়। যেখানে বিভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির সাহায্যে একাধিক ফিডারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ শক্তিকে গ্রহণ করে ট্রান্সফরমারের সাহায্যে বিভিন্ন মানের ভােল্টেজে রুপান্তরিত করা হয়। এছাড়াও সাবস্টেশনের সাহায্যে পাওয়ার ফ্যাক্টর, ফ্রিকুয়েন্সী, এসি থেকে ডিসি পরিবর্তন করতে সাহায্য করে।

ইলেকট্রিক্যাল সাবস্টেশনডিজাইন করার সময় যে সকল বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবেঃ

  • প্রথমে ভালো একটা জায়গা নির্বাচন করতে হবে।
  • এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে- মেইনটেইনেন্স এর ভালো ব্যবস্থা, কোন যন্ত্রাংশ সমস্যা হলে পরিবর্তন, প্রতিনিয়ত পর্যবেক্ষন ও স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী পরীক্ষা, আগুন জনিত সমস্যা থেকে নিরাপদ ও আনুসাঙ্গিক বিষয়গুলো নিশ্চিত করতে হবে।
  • এটা যেন সহজে পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা যায় ও সর্বনিম্ম খরচের দিকে নজর রাখতে হবে।  

সাবস্টেশনের প্রকারভেদ

সাবস্টেশনকে মূলত বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়, এখানে আমরা দুটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে প্রকারভেদ দেখবোঃ

  1. সার্ভিসের উপর
  2. গঠনগত বৈশিষ্ট্য এর উপর।

১। সার্ভিসের উপরঃ

এখানে মূলত ভোল্টেজ লেভেল কম বেশি (স্টেপ আপ – ডাউন), পাওয়ার ফ্যাক্টর উন্নতিকরন, এসি পাওয়ার থেকে ডিসি পাওয়ার রূপান্তর- এই সকল বিষয় নিয়ে কাজ কাজ করা হয়।

  • ট্রান্সফরমার সাবস্টেশনঃ ভোল্টেজ কম-বেশি করার জন্য।
  • সুইচিং সাবস্টেশনঃ লাইনকে সুইচিং করার জন্য।
  • পাওয়ার ফ্যাক্টর কারেকশন সাবস্টেশনঃ পাওয়ার ফ্যাক্টর ইমপ্রুভ করার জন্য।
  • কনভার্টিং সাবস্টেশনঃ এসি থেকে ডিসিতে রূপান্তর করার জন্য।
  • ইন্ডাস্ট্রিয়াল সাবস্টেশনঃ বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিতে পাওয়ার সাপ্লাই করার জন্য।
  • ফ্রিকুয়েন্সি সাবস্টেশন

২। গঠনগত বৈশিষ্ট্য এর উপর

  • ইনডোর সাবস্টেশনঃ সাবস্টেশনে ব্যাবহৃত যাবতীয় যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামগুলি যদি কোন শেড বা বিল্ডিং এর মধ্যে স্থাপন করা থাকে,তবে তাকে ইনডোর সাবস্টেশন বলে। এর ভোল্টেজ সর্বোচ্চ ১১ কেভি হয়ে থাকে।
  • আউটডোর সাবস্টেশনঃ সাবস্টেশনে ব্যাবহৃত যাবতীয় যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামগুলি যদি একটি খোলা যায়গায় স্থাপন করা হয়,তাকে আউটডোর সাবস্টেশন বলা হয়। এগুলো মূলত ৬৬ কেভির উপরেও হয়ে থাকে।
  • আন্ডারগ্রাউন্ড সাবস্টেশনঃ জনবহুল জায়গাতে মাটির নিচে এই সাবস্টেশন করা হয়।
  • পল-মাউন্টেড সাবস্টেশনঃ  এটি এক ধরনের আউটডোর সাবস্টেশন যা উপরে; H-Pole বা 4-Pole এর মধ্যে স্থাপন করা হয়।
উপরের ট্রান্সফরমার সাবস্টেশনকে আবার নিম্মলিখিত ভাগে ভাগ করা যায় যেমনঃ
  • স্টেপ আপ সাব-স্টেশন
  • প্রাইমারি সাব-স্টেশন
  • সেকেন্ডারি সাব-স্টেশন
  • ডিস্ট্রিবিউশন সাব-স্টেশন

সাবস্টেশন উপকরনের ভিউঃ

জেনারেটিং স্টেশন–>>সাব-স্টেশন–>>ডিস্ট্রিবিউশন

সাবস্টেশন
  1. Primary power lines’ side
  2. Secondary power lines’ side

Primary Power lines side

  1. Primary power lines
  2. Ground wire
  3. Overhead lines
  4. Lightning arrester
  5. Disconnect switch
  6. Circuit breaker
  7. Current transformer
  8. Transformer for measurement of electric voltage
  9. Main transformer
  10. Control building
  11. Security fence
  12. Secondary Power line

সাবস্টেশন বানাতে যে যে উপাদান লাগে তা আলােচনার সুবিধার্থে ভাগ করা হলোঃ

ইনকামিং সার্কিট
  • Lightening Arrestor.
  • Overhead earth wire.
  • Isolator
  • Fuses
  • Earthling Switch etc
  • Incoming Lines (Underground & Overhead)
হাই ভোল্টেজ সুইচগিয়ার প্যানেলঃ (HT)
  • Bus bars
  • Isolators
  • Circuit breaker
  • C.T
  • P.T
  • Metering system
  • Indicating instruments
  • Various protective relays
লো ভোল্টেজ সুইচগিয়ার প্যানেলঃ (LT)
  • Bus bars
  • Isolators
  • Fuses
  • Magnetic contractors
  • Air-break switch
  • Various types of no-fuse breaker
  • Metering system
  • Indicating instruments
  • Various protective relays etc
  • PFI capacitors
আরো কিছু কমন কম্পোনেন্ট  লাগেঃ
  • ট্রান্সফরমার।
  • ব্যাটারী ব্যাঙ্ক এবং চার্জিং সিস্টেম।
  • আউটগোয়িং লাইন।
  • ইমারজেন্সি পাওয়ার সাপ্লাই সিস্টেম।
  • এছাড়াও সাব-স্টেশনের প্রকারভেদ অনুযায়ী আরো কিছু কম্পোনেন্ট লাগে।

সাবস্টেশন বিভিন্ন উপাদান পড়ুন এখানে

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here