বিভিন্ন সিম অপারেটর কিভাবে সেলুলার নেটওয়ার্ক ডিজাইন করে পড়ুন

0

বিভিন্ন অপারেটর কিভাবে তাদের সেলুলার নেটওয়ার্ক ডিজাইনকরে আজকে আমরা তা জানব। প্রথমত আমাদের ” সেলুলার নেটওয়ার্ক ” কি সেটা জানতে হবে। সেলুলার নেটওয়ার্ক শব্দটি এসেছে সেল থেকে। এবার জানব cell কি? ধরুন, আমি একটা মোবাইল কোম্পানি বানাব। এখন তার জন্য সরকার (BTRC) কর্তৃক আমাকে একটি ব্যান্ডউইথ বরাদ্দ দেয়া হবে।

সেলুলার নেটওয়ার্ক সম্বন্ধে বিস্তারিত পড়ুন

ব্যান্ডউইথ হল radio channel capacity. আর channel হল ডাটা পরিভ্রমণের পথ। আর অনেক গুলো রেডিও চ্যানেল নিয়ে হয় একটি সেল। আর সেলের আওতা বা কাভারেজ ই হল সেলুলার নেটওয়ার্ক।

একটি এন্টেনা এবং একটি ছোট অফিস নিয়ে একটি সেল গঠিত হয়। এন্টেনাসহ ছোট অফিসকে বলা হয় বেস স্টেশন। একটি বেস স্টেশন দ্বারা একটি ছোট এরিয়ার বা সেল নেটওয়ার্ক কাভারেজ দেওয়া হয়।

প্রতিটি বেস স্টেশনকে নিয়ন্ত্রন করা হয় মোবাইল সুইচিং সেন্টার দ্বারা, যেখানে কল সংযোগ, কল ইনফরমেশন রেকডিং, বিলিং সিস্টেম ইত্যাদি কম্পিউটারাইজড পদ্ধতিতে নিয়ন্তিত হয়। সেলের আকার সাধারনত ১ মাইল হতে ১২ মাইল পর্যন্ত, যা নির্ভর করে জনসংখ্যার ঘনত্বের উপর।

ধরেন, আমার ব্যান্ডউইথ 20 MHz. এখন, আমার চ্যানেলগুলোও এমনভাবে এরেঞ্জ করতে হবে যাতে এই ক্যাপাসিটির বাহিরে না যায়। আচ্ছা তাইলে এবার ডিজাইন এর পালা।

এখন, আমি ৫০ টি এলাকায় রেডিও চ্যানেল স্থাপন করার পর দেখা গেল আমার বরাদ্দ ব্যান্ডউইথ শেষ। হায় হায়??? এখন কি হবে? তাইলে কি বাকি বেচারা কাস্টমার রা নেটওয়ার্ক পাবেনা???? চিন্তার কোন কারণ নেই।

এটার সমাধান অবশ্যই আছে। আপনাকে তখন চ্যানেল এর পুনঃ ব্যবহার করতে হবে। অর্থাৎ, আপনি ১ – ৫০ পর্যন্ত এলাকায় যেসব ফ্রিকুয়েন্সি চ্যানেল ব্যবহার করেছেন সেই ফ্রিকুয়েন্সি চ্যানেলগুলো পুনরায় ব্যবহার করা। নাইলে সরকার কর্তৃক আপনার কোম্পানি বন্ধ করে দেয়া হবে। আর এই পদ্ধতির নাম হল ” Frequency Reuse ”

এক একটি এলাকা এক একটি সেলের অন্তর্ভুক্ত। আর এর জন্য সেলুলার নেটওয়ার্ক ডিজাইন করতে হয়। আর এই সেল সাইজ কে হেক্সাগোনাল / ষড়ভুজ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

প্রথম কথা, আমার এরিয়ার কাভারেজ সিস্টেম এরুপ হতে হবে যাতে এক এরিয়ার সেলুলার নেটওয়ার্ক  সেলগুলো অন্য এরিয়ার সেলগুলোর সাথে ওভারলেপ কিংবা interfere না করে। আমি যদি ষড়ভুজ না করে যদি বৃত্ত হিসেবে বিবেচনা করি তাইলে অনেকগুলো বৃত্ত পাশাপাশি ওভারলেপিং সৃষ্টি করতে পারে।

সেলুলার নেটওয়ার্ক

আর সবচেয়ে বড় কথা হল আপনার নেটওয়ার্ক ম্যাপিং এর সময় সেলগুলোর মধ্যে ফাকা থাকা যাবেনা। নাইলে এরুপ ডিজাইনে এরিয়ার নির্দিষ্ট অংশে সিগনাল nill দেখাতে পারে। কারণ, অনেক গুলো বৃত্ত যদি আপনি পাশাপাশি আর উপর নিচে আকেন তাইলে সেখানে গ্যাপ সৃষ্টি হবেই।

তাই বৃত্ত না বিবেচনা করে ষড়ভুজ বিবেচনায় আনা হয়। এখন কেউ কেউ বলতে পারেন, কেন? আমি ত পাশাপাশি গ্যাপ না রেখে অনেক ত্রিভুজ কিংবা চতুর্ভুজ ও আকতে পারি। ষড়ভুজ ই কেন নিতে হবে? আসলে মূলত মোবাইল টাওয়ার এর এন্টেনা কিভাবে বা কোন প্যাটার্ন এ সিগনাল রেডিয়েট করে সেটাও বিবেচনায় রাখা হয়।

সেলুলার নেটওয়ার্ক

সাধারণত মোবাইল টাওয়ারের মাইক্রোওয়েব সেক্টর এন্টেনাগুলো গোলাকার প্যাটার্ন এ সিগন্যাল রেডিয়েশন দেয়। তাই এক্ষেত্রে আপনাকে ডিজাইন এর সময় গোলাকার জ্যামিতিক ক্ষেত্র বিবেচনায় আনা লাগবে। আর সেটা হল বৃত্ত। কিন্তু বৃত্ত যে সম্ভবপর নয় আগেই ব্যাখ্যা করেছি। তাই বৃত্তের কাছাকাছি বা approximately geometric figure হিসেবে ষড়ভুজ কেই বিবেচনায় আনা হয়। এভাবেই সেলুলার নেটওয়ার্ক ডিজাইন করা হয়ে থাকে।

ভূমিতে অবস্থিত টাওয়ার & পাহাড়ে অবস্থিত টাওয়ার দুটোর মধ্যবর্তী পরিবাহী তারের স্যাগ কিভাবে নির্ণয় করবেন?

উত্তর : এই Sag হিসেব করার usual formula হচ্ছে,

S = WL^2 / 8T
এখানে, S = Sag
W = Weight of wire
L = Length of wire
T = Tension of wire after hanging

এখন, একটা টাওয়ার অনেক উপরে আরেকটি টাওয়ার অনেক নিচে। সে ক্ষেত্রে সরলরেখা হচ্ছে না। কারণ, দুটো ক্রসআর্ম পয়েন্ট টু পয়েন্ট নেই। এক্ষেত্রে——-

ধরলাম একটি cross arm এর পয়েন্ট A, আরেকটির B. তাদের মধ্যবর্তী কোন বিন্দু O. তাইলে,

S = W/2T * ( X1 – X2) * (X1 + X2)

X1 = Distance between A & O

X2 = Distance between B & O

X1 + X2 = L = Distance between A & B = Length of wire

courtesy: Iqbal Mahmood

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here