ডিজিটাল টু এনালগ কনভার্টার সার্কিট নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা

0
444

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আশা করি ভাল আছেন। আজ একটু ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সের একটি টপিক নিয়ে আড্ডা জমাতে এসেছি। টপিকটি হল ডিএসি/ডিজিটাল টু এনালগ কনভার্টার। শুরুতেই জেনে নিব ডিজিটাল টু এনালগ কনভার্টার কি এবং তারপর এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানব। চলুন শুরু করা যাক।

ডিজিটাল টু এনালগ সার্কিট কাকে বলে?

DAC বা ডিজিটাল থেকে এনালগ কনভার্টার একটি ইলেকট্রনিক সার্কিট বা ডিভাইস যা ডিজিটাল সংকেতকে একটি এনালগ সংকেতে রূপান্তরিত করে। ডিজিটাল সিগন্যালের এমপ্লিচুড এবং টাইম কখনোই ভগ্নাংশ হতে পারেনা। এটি বাইনারি আকারে পাওয়া যায় যেমন 0 বা 1। অন্যদিকে, এনালগ সংকেতের এমপ্লিচুড এবং টাইম ভগ্নাংশ হতে পারে।

ডিজিটাল টু এনালগ কনভার্টার বা এনালগ টু ডিজিটাল কনভার্টার (DAC) উভয়তে পদ্ধতি ইলেকট্রনিক সিস্টেমে ব্যবহার করা হয়। এডিসি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় যখন একটি ফিজিক্যাল সিগন্যাল ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যালে কনভার্ট করা হয়। অন্যদিকে তার বিপরীত প্রক্রিয়া তার মানে ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যালকে ফিজিক্যাল সিগন্যালে রুপায়িত করতে ডিএসি বা ডিজিটাল টু এনালগ কনভার্টার ব্যবহার করা হয়।

ডিজিটাল টু এনালগ কনভার্সন
ডিজিটাল টু এনালগ কনভার্শন

এনালগ টু ডিজিটাল সার্কিটের ব্যবহারিক ক্ষেত্র

উদাহরণস্বরুপ, রেইন গেজের সাহায্যে আমরা বৃষ্টিপাতের পরিমাণ নির্ণয় করে থাকি। বৃষ্টিপাতের পরিমাণ নির্ণয় করার পর আমরা তা প্রদর্শনের জন্য আমরা একটি ডিজিটাল ডিসপ্লে ব্যবহার করে থাকি। এই ডিভাইসে সাধারণত এডিসি বা এনালগ টু ডিজিটাল কনভার্টার ব্যবহার করা হয়ে থাকে। বৃষ্টির চাপকে অনুধাবণ করে তা ইলেকট্রিক্যাল পালসে রুপান্তর করে কাউন্টারের সাহায্যে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ নির্ধারণ করাই এই ডিভাইসটির মুখ্য উদ্দেশ্যে।

ডিজিটাল টু এনালগ কনভার্টার সার্কিটের গঠন

ডিজিটাল টু এনালগ সার্কিট নিম্নলিখিত ইলিমেন্ট নিয়ে গঠিতঃ

  • ইনপুট সার্কিট
  • ভোল্টেজ সুইচিং সার্কিট
  • রেজিস্টিভ নেটওয়ার্ক
  • এমপ্লিফায়ার

ইনপুট সার্কিট

ইনপুট সার্কিট
ইনপুট সার্কিট

সম্পূর্ণ সার্কিটে ইনপুট অংশের তেমন কোন উল্লেখযোগ্য অবদান নেই বললেই চলে। এই অংশ শুধুমাত্র ডিজিটাল বাইনারি সিগন্যালকে গ্রহণ করে এবং তাকে ফিল্টারিং সহ অন্যান্য প্রসেসে অংশ নেয়।

ভোল্টেজ সুইচিং সার্কিট

ভোল্টেজ সুইচিং সার্কিট ইনপুট সার্কিট এবং রেফারেন্স ভোল্টেজ সোর্সের মধ্যে ভোল্টেজ সুইচিং করে তা রেজিস্টিভ নেটওয়ার্কে পৌঁছে দেয়। এটি গ্রাউন্ড নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত বা আইসোলেশনে সাহায্য করে।

ভোল্টেজ সুইচিং সার্কিট
ভোল্টেজ সুইচিং সার্কিট

রেজিস্টিভ নেটওয়ার্ক

এটি ডিজিটাল টু অ্যানালগ কনভার্টার সার্কিটের প্রধান অংশ। এটি মূলত এম্প্লিফায়ার সার্কিটের আগে একাধিক ডিজিটাল ইনপুট প্রসেসিং করতে সহায়তা করে। রেজিস্টিভ নেটওয়ার্ক অনুযায়ী দুই ধরনের ডিজিটাল টু এনালগ কনভার্টার সার্কিট আছে। যথাঃ

  • Weighted resistor network
  • R-2R network
রেজিস্টিভ নেটওয়ার্ক
রেজিস্টিভ নেটওয়ার্ক (R-2R)

এমপ্লিফায়ার

সাধারণত, DAC সিস্টেমে একটি ডিফারেনশিয়াল বা অপারেশনাল এম্প্লিফায়ার ব্যবহার করা হয়। এটি কেবল সংকেতকে এমপ্লিফাই করে না এমনকি এটি পৃথক বা যুক্ত করতে পারে।

এমপ্লিফায়ার
এমপ্লিফায়ার

আরো কিছু আর্টিকেল পড়ুন

ডিজিটাল অসিলোস্কোপ নিয়ে সহজ এবং সংক্ষিপ্ত আলোচনা

মানব হৃদস্পন্দন এবং ডিজিটাল ঘড়ির ফাংশন

ঘড়ির কাঁটার ছন্দে ছন্দে ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here